ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩০, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৮ শাবান ১৪৪৫

দিল্লি, কলকাতা, আগরতলা

জঙ্গি সন্দেহে কলকাতা পুলিশের হাতে গ্রেফতার ২ যুবক

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ০১৪৩ ঘণ্টা, জানুয়ারি ৮, ২০২৩
জঙ্গি সন্দেহে কলকাতা পুলিশের হাতে গ্রেফতার ২ যুবক

কলকাতা: জঙ্গি সন্দেহে পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া থেকে দুজনকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশে স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। ধৃত মহম্মদ সাদ্দাম (২৮) ও সৈয়দ আহমেদের (৩০) সঙ্গে আইএস জঙ্গি গোষ্ঠীর যোগ রয়েছে বলে মনে করছে কলকাতা পুলিশ।

 

জানা যায়, কলকাতার খিদিরপুরে গোপন বৈঠক করে হাওড়ায় ফিরছিলেন দুই অভিযুক্ত। খবর পেয়েই শনিবার (৭ জানুয়ারি) কলকাতার বিদ্যাসাগার সেতুতে ধাওয়া করে মহম্মদ সাদ্দাম ও সৈয়দ আহমেদকে পাকড়াও করে এসটিএফ।

উভয়েরই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, হার্ডডিক্স, পেনড্রাইভ, সিপিইউ, নোটবুক, ডাইরি, অস্ত্র, ডেবিট কার্ড এবং একটি মোটরসাইকেল বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। সেই সঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে প্রচুর জিহাদী সম্পর্কিত বই। একাধিক সন্দেহজনক সংস্থার নাম, ঠিকানা সম্পর্কিত একটি তালিকাও উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার এসটিএফ'এর তরফে এক বিবৃতি দিয়ে এই কথা জানানো হয়।
 
সল্টলেক লাগোয় রাজারহাট আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এমটেক'এর ছাত্র মোহাম্মদ সাদ্দাম। তারই বিশ্বস্ত বন্ধু সৈয়দ আহমেদ। পুলিশ
অভিযান চালিয়ে প্রথমে আটক করে সাদ্দামকে, সেখান থেকেই সৈয়দ আহমেদের খোঁজ পায় গোয়েন্দারা।

এসটিএফ জানিয়েছে, ভারতের সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং মানুষের উপর হামলা চালানো এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে খিলাফত শাসন প্রতিষ্ঠা করার ছিল তাদের লক্ষ্য। এই লক্ষ্যে জঙ্গি প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং অস্ত্র, বিস্ফোরক পদার্থ সংগ্রহ করার কাজ শুরু করেছে তারা।

পুলিশ সূত্রে খবর, মহম্মদ সাদ্দাম হাওড়ার আফতাবউদ্দিন মুন্সি লেনের বাসিন্দা। সৈয়দ আহমেদ থাকেন হাওড়া শিবপুর থানার গোলাম হোসেন সর্দার লেনে। অবসরপ্রাপ্ত রেলকর্মীর ছেলে মহম্মদ সাদ্দাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমটেক পাশ বলে খবর। আর আহমেদ কোম্পানি সেক্রেটারি নিয়ে পড়াশোনা করেছিলেন। বাবার নির্মাণ ব্যবসায় সহায়তা করে সে।

আদালতে সরকারি আইনজীবীর দাবি, ধৃত দু’জনেই অস্ত্র জোগাড়ের চেষ্টায় ছিলেন। অর্থও জোগাড় করছিলেন তারা। জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই এঁদের পুলিশ হেফাজতে রাখা দরকার। গ্রেফতারকৃত সন্দেহভাজন ২ জঙ্গির বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২১, ১২১এ, ১২২, ১২৩, ১২০ বি ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এদিন, তাদের কলকাতার ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হলে ১২ দিনের পুলিশ রিমান্ডের নির্দেশ দেয় আদালত। আগামী ১৯ জানুয়ারি ফের তাদের আদালতে তোলা হবে।

বাংলাদেশ সময়: ০১৪০ ঘণ্টা, জানুয়ারি ০৮, ২০২৩
ভিএস/এসএ
 

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।