পবিপ্রবি: পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) র্যাগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে দু’গ্রুপের সংঘর্ষ ও মারামারিসহ তিনটি পৃথক ঘটনায় সাময়িক বহিষ্কৃত ৭ জনসহ ৬৭ শিক্ষার্থীর বিভিন্ন মেয়াদের শাস্তি কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
সেসব শাস্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা সোমবার কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দেবে ও নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করতে সক্ষম হবে তাদের শাস্তি মওকুফ করা হতে পারে।
এছাড়াও ঘটনার সঙ্গে যাদের প্রত্যক্ষ যোগাযোগ ছিল না তাদের শাস্তি কমানোর বিষয়টা পরবর্তী আইন-শৃঙ্খলা সভায় বিবেচনা করা হবে বলে রেজিস্ট্রার অফিস সূত্র জানিয়েছে।
তবে র্যাগিংয়ের নামে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনে যারা প্রত্যক্ষভাবে জড়িত তাদের ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে রয়েছে কর্তৃপক্ষ।
রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার নওয়াব আলী বাংলানিউজকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন অনুষদের ৩য়, ৫ম ও ৭ম সেমিস্টারের ছাত্র-ছাত্রী কর্তৃক ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের র্যাগ দেওয়া, ২৩ ফেব্রুয়ারি শেরেবাংলা আবাসিক হল-২ এর ১০৬ নম্বর কক্ষে ছাত্রকে র্যাগের নামে শারীরিক-মানসিক নির্যাতন এবং ৬ এপ্রিল র্যাগিংয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিছু সংখ্যক শিক্ষার্থী বরিশাল-পটুয়াখালী গ্রুপে বিভক্ত হয়ে সংহিসতায় লিপ্ত হয়ে এম কেরামত আলী হল ও শেরেবাংলা আবাসিক হলসহ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মারামারি ও ভাঙচুর চালায়।
ওইসব ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গত ৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক নোটিশে ৭ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার, ৩০ শিক্ষার্থীকে হল থেকে বহিষ্কার ও ৩০ শিক্ষার্থীকে ৩ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে। পরদিন সোমবার রাতে পরর্বতী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ক্যাম্পাসে সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করে করা হয়।
নোটিশ প্রাপ্তির প্রায় এক ঘণ্টা ব্যবধানে শেরে বাংলা হলে রাত ১০টায় বিক্ষোভ করে ছাত্রলীগ। এরপর রাতেই ক্যাম্পাসে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
বাংলাদেশ সময়: ১৬৪৭ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৪