ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৫ বৈশাখ ১৪৩১, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ০৮ শাওয়াল ১৪৪৫

নির্বাচন ও ইসি

উত্তাপ ছড়াচ্ছে মসিক নির্বাচন: মেয়র পদে ৭ প্রার্থী

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৮১৫ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৪
উত্তাপ ছড়াচ্ছে মসিক নির্বাচন: মেয়র পদে ৭ প্রার্থী

ময়মনসিংহ: আগামী ৯ মার্চ ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে (মসিক) সামনে রেখে মেয়র পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন সাতজন প্রার্থী। সেই সঙ্গে ৩৩টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৬৪ জন এবং ১১টি সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন ৬৯ জন প্রার্থী।

 

মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন বিকেল পৌনে ৫টায় সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সফিকুল ইসলাম বাংলানিউজকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।  

সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে নগরীর অলিগলিতে উত্তাপ ছড়াচ্ছে ভোটের হাওয়া। ফলে প্রার্থীদের জমজমাট প্রচার-প্রচারণায় উৎসবমুখর নির্বাচন আশা করছেন নগরবাসী।

মেয়র পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করা প্রার্থীরা হলেন- সদ্য পদত্যাগ করা সিটি মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. ইকরামুল হক টিটু, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এহতেশামুল আলম, শহর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সাদেকুল হক খান (টজু), মহানগরের সহ-সভাপতি অধ্যাপক গোলম ফেরদৌস জিলু, প্রয়াত পৌর মেয়র মাহমুদ আল নূর তারেকের ছেলে অ্যাডভোকেট ফারমার্জ আল নূর রাজীব, জাতীয় পার্টির প্রার্থী শহীদুল ইসলাম (স্বপন মণ্ডল) এবং কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের সাবেক সদস্য কৃষিবিদ ড. রেজাউল হক।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ২২ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর ২৩ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থীদের মধ্যে দেওয়া হবে প্রতীক বরাদ্দ।  

জানা যায়, দেশের অষ্টম বিভাগ ময়মনসিংহ শহরের ১১৩ বছরের ঐতিহ্যবাহী পৌরসভাকে বিলুপ্ত করে ২০১৮ সালের ১৪ অক্টোবর সিটি করপোরেশন ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করা হয়। ওই সময় ময়মনসিংহ পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন মো. ইকরামুল হক টিটু। এরপর মসিক গঠনের পর টিটুকে প্রশাসক হিসেবে নিযুক্ত করে সরকার। পরে ২০১৯ সালের ৫ মে অনুষ্ঠিত হয় এই সিটি করপোরেশন প্রথম নির্বাচন। সে সময় প্রশাসক পদে থেকেই নির্বাচনে অংশ নেন টিটু। ওই নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নেওয়ায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেয়র নির্বাচিত হন তিনি।      

তবে এবারের নির্বাচনে বিএনপির কোনো প্রার্থী অংশ না নিলেও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ছয়জন এবং জাতীয় পার্টি থেকে একজন প্রার্থী নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ফলে এবারের নির্বাচনে জমজমাট ভোটের লড়াইয়ে আশা করছেন ক্ষমতাসীনরা। যদিও উল্টো কথা বলছে বিএনপি।  

উল্লেখ্য, বর্তমানে সিটি করপোরেশনে ৩৩টি সাধারণ ওয়ার্ড ও ১১টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মোট ভোটার রয়েছে তিন লাখ ৩৬ হাজার ৪৯০ জন। এর মধ্যে এক লাখ ৬৩ হাজার ৮৭১ জন পুরুষ এবং এক লাখ ৭২ হাজার ৬১০ জন নারী। এছাড়াও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে নয়জন। এতে মোট ভোটে কেন্দ্র রয়েছে ১২৮টি। ভোটগ্রহণ হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)।  

বাংলাদেশ সময়: ১৮১৫ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৪
এসএম

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।