টুর্নামেন্টে এখন ঢাকা আবাহনী অতীত। সন্ধ্যা সাতটা থেকে শুরু হওয়ার এফসি আলগার বিপক্ষে তাদের খেলাটা কেবলই নিয়মরক্ষার।
এদিন শুরু থেকেই হালকা মেজাজে খেলতে থাকে। তবে সময় গড়াতেই উভয় দলই আসল ফুটবলে ফেরে। শুরু হয় আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ। ২৮মিনিটে পোচন প্রথম বড় আক্রমণে যায়। ২৮ মিনিটে পার্ক সিউং রায়েলের প্রচেষ্টা রুখে দেন টিসি স্পোর্টসের গোলরক্ষক কিরন কুমার। কিন্তু প্রথামার্ধের অতিরিক্ত সময়ে গোল করে এগিয়ে যায় টিসি স্পোর্টসই। মধ্যমাঠের খেলোয়াড় ইব্রাহিম ইয়ামিনের বাড়ানো বল পোচনের জালে পৌঁছে দেন ফরোয়ার্ড এজিকিয়েল। ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে টিসি স্পোর্টস।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই পোচন সিটিজেন গোল পরিশোধের জন্য মরিয়া হয়ে উঠে। অন্যদিকে টিসি স্পোর্টস খেলতে থাকে রক্ষণাত্বক। ৫৩মিনিটে প্রথম আক্রমণে যায় পোচন। বদলী খেলোয়াড় লি মিন কউ’র বাড়ানো বল ধরে আরেক বদলী খেলোয়াড় লি জিন ওউ দেন কিম চাং হিউকে। হিউ’র শটটা দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন গোলকিপার।
৫৭ মিনিটে আবারও আক্রমণে যায় কোরিয়ান পোচন শহরের তৃতীয় বিভাগের দলটি। এবার বাম প্রান্ত থেকে কো জি ম্যানের মাইনাস গোলকিপারের গায়ে লেগে ফেরত আসে পোচনের কিম সিউয়ং জিনের কাছে। এরপর জিন যে শটটি নেন তা টিসি স্পোর্টসের রক্ষণভাগ ক্লিয়ার করে দিলে গোলবঞ্চিত হয় কোরিয়ান দলটি।
পোচনের একের পর আক্রমণ মার খাওয়ার পর উল্টো গোল ব্যবধান বাড়ার সুযোগ পায় টিসি স্পোর্টস। ৬১ মিনিটে ইব্রাহিম মাহমুদির শট ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক। তবে ৭৬ মিনিটে ডিবক্সে আগুয়ান জাং ইয়ং আইকে’কে প্রতিপক্ষের আজম মোহাম্মদ ফেলে দিলে পেনাল্টির নির্দেশ দেন ভারতীয় রেফারি সন্তোষ কুমার।
তবে কো জি ম্যানের নেওয়া শটটি গোলবারে লেগে ফেরত আসে পার্ক জুং সো’র কাছে। তিনি গোল করতে দেরি করেন নি। ফলে সমতায় ফেরে পোচন। এভাবে ১-১ গোলে শেষ হয় খেলা।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে পোচনের কোচ সোন ওন ইয়ং বলেন, ‘আমার জেতার জন্য খেলেছি। তবে দুর্ভাগ্যভাবে ড্র করতে পেরেছি। তবুও আমার ছেলেদের পারফরম্যান্সে আমি খুশি। ’
অন্যদিকে টিসি স্পোর্টসের কোচ নাজিম মোহাম্মদ বলেন, ‘আমার টিম ভালো খেলেছে। জেতাটা লক্ষ্য ছিল। তবুও আক্ষেপ নেই। সেমিফাইনালে যে দল পড়বে না কেনো-জেতার জন্যই খেলবো। ’
বাংলাদেশ সময়: ১৮৫০ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০১৭
টিএইচ/টিসি