ঢাকা, রবিবার, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ১৯ মে ২০২৪, ১০ জিলকদ ১৪৪৫

ভারত

বিকল্প চাষে কৃষকদের অনুদান দিচ্ছে মমতার সরকার

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৮৫৩ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২২
বিকল্প চাষে কৃষকদের অনুদান দিচ্ছে মমতার সরকার

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে কৃষকদের বিকল্প চাষে আগ্রহী করতে সক্রিয় হয়েছে মমতার সরকার। আয় বেশি ব্যয় কম এবং সারা বছর চাষ করা যায় এমন গাছগুলোকেই মডেল প্রকল্প হিসেবে বেছে নেওয়া হচ্ছে।

নারকেল, পেঁপে, ড্রাগন, মালটা প্রভৃতি ফলের চাষের পাশাপাশি কলা চাষকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এ চাষে কৃষকদের উৎসাহ জোগাতে অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্যটির উদ্যান পালন দপ্তর। আসন্ন মার্চ মাসে রাজ্যের জেলায় জেলায় এ কলা চাষের প্রকল্প চালু হতে চলেছে বলে জানিয়েছেন উদ্যান পালন দপ্তরের মন্ত্রী সুব্রত সাহা।

কলা চাষে কৃষকদের উপকরণ দিয়ে সাহায্যের পাশাপাশি উৎসাহ ভাতা হিসেবে কৃষক প্রতি ২০ হাজার রুপি আর্থিক অনুদানও দেওয়া হবে বলে রোববার (২০ ফেব্রুয়ারি) ওই মন্ত্রী জানিয়েছেন। কলা যাতে চাষিরা সহজে বিক্রি করতে পারেন তার ব্যবস্থাও করবে রাজ্যটির উদ্যান পালন দপ্তর। প্রথম ধাপে নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, জলপাইগুড়ির মতো জেলার কয়েকটি ব্লকে এ প্রকল্প চালু করা হবে। পরে আগ্রহ বিশেষ অন্যান্য জেলায় এ মডেল নিয়ে যাওয়া হবে। দপ্তর চাইছে, রাজ্যের প্রতিটি ব্লকে ৪০০ থেকে ৫০০ চাষিকে এ প্রক্রিয়ায় যুক্ত করতে।

তাদের দেওয়া হবে উচ্চ ফলনশীল জি-৯ প্রজাতির কলাগাছের চারা। টিস্যু কালচার পদ্ধতিতে কলাগাছের চারা তৈরি করা হচ্ছে। একটি চারা থেকে বছরে তিনবার ফলন হবে। তারপর ফের নতুন চারা লাগাতে হবে। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে নারকেল, পেঁপে প্রভৃতি চাষ করা হবে বলে জানিয়েছে দপ্তরটি।
 
পশ্চিমবঙ্গের উদ্যান পালন দপ্তর চাইছে, বিকল্প চাষে আগ্রহী হোক কৃষকরা। এতে চাষিদের আয় যেমন বাড়বে, তেমনই পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন ধরনের কৃষি উৎপাদনে কৃষকরা স্বয়ম্বর হয়ে উঠবে। বিকল্প চাষের জন্য যে ফলনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে, তার বেশিরভাগই এখন ভারতের ভিন রাজ্য থেকে আসে পশ্চিমবঙ্গে। এছাড়া সরকারি অনুদানে ড্রাগন, মালটা প্রভৃতি ফলের চাষ বাড়ানোর জন্য কৃষকদের উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৮৫১ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২২
ভিএস/আরবি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।