ঢাকা, রবিবার, ৩০ চৈত্র ১৪৩০, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৫

তথ্যপ্রযুক্তি

দেশের প্রথম কমার্শিয়াল টিয়ার ফোর ডাটা সেন্টার 'সাইফার' চালু

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট  | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৮০৬ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৪
দেশের প্রথম কমার্শিয়াল টিয়ার ফোর ডাটা সেন্টার 'সাইফার' চালু

ঢাকা: যাত্রা শুরু করেছে দেশের প্রথম সার্টিফায়েড টিয়ার ফোর কমার্শিয়াল কো-লোকেশন ডাটা সেন্টার ‘সাইফার। ’

রবি আজিয়াটা লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান অ্যাকজেনটেক আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সাইফার’র যাত্রা শুরুর ঘোষণা দিয়েছে।



অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই ডাটা সেন্টারটি যশোরে শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে অবস্থিত।

মোবাইল অপারেটর রবি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে সাইফার।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জি এস এম জাফরউল্লাহ্।  

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রবি’র এমডি ও সিইও রাজীব শেঠি, অ্যাকজেনটেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আদিল হোসেন নোবেল, রবি’র চিফ করপোরেট ও রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন যশোর পৌরসভার মেয়র হায়দার গণি খান পলাশ।  

অ্যাকজেনটেক পিএলসির এই সাইফার দেশের প্রযুক্তিগত উন্নয়নের পাশাপাশি উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দেশের প্রিমিয়ার ডাটা সেন্টার হিসেবে সর্বোচ্চ নির্ভরযোগ্যতা, নিরাপত্তা ও কার্যকর আস্থার নিশ্চয়তা দেয় সাইফার, ডিজিটাল ক্ষেত্রে যা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।  

যশোরে ১৬ হাজার ৫শ বর্গফুটের সাইফারের ভবনটিতে আছে পাওয়ার ব্যাকআপ, অ্যাডভান্সড কুলিং মেশিনারিসহ অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সাইফার কাজ করে যাওয়ার সক্ষমতা রাখে। ডিজিটাল অবকাঠামোর মান নিরূপণে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত সংস্থা আপটাইম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে সম্মানজনক টিয়ার ফোর সনদ অর্জন করেছে সাইফার।  

নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত বিদ্যুতসহ অন্যান্য সব প্রযুক্তি নিশ্চিত করা হয়েছে সাইফারে। এছাড়া ৯৯ দশমিক ৯৯৫ শতাংশ আপটাইম বিশিষ্ট সাইফার এ আছে বায়োমেট্রিক একসেস কন্ট্রোলের মতো মিলিটারি গ্রেড সিকিউরিটি। সাইবার হুমকিসহ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে নেওয়া হয়েছে যথাযথ ব্যবস্থা।  

নিরাপদ, নির্ভার ব্যবসা নিশ্চিত করার শঙ্কাহীন কো লোকেশন প্ল্যাটফরম হিসেবে সাইফার নিজের সেরাটা দিতে বদ্ধপরিকর। ডিজিটাল যুগে নির্ভরযোগ্য ও ভরসার প্রতীক হয়ে নিরবচ্ছিন্ন কাজ করে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় সাইফার।  

অ্যাজেনটেক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আদিল হোসেন নোবেল বলেন, ‘স্মার্ট বাংলাদেশ নির্মাণে সাইফার একটি মাইলফলক। বড় পরিসরে ডাটা সেন্টারের অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে দেশের কারিগরি উৎকর্ষের জন্য স্মার্ট ডাটা ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে সাইফার। ডাটা সেন্টার স্থাপনে আমাদের সহযোগিতা করার জন্য মন্ত্রী, আইসিটি বিভাগ, বিএইচটিপিএ এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। ’

রবি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও রাজীব শেঠি বলেন, ‘সাইফার এর যাত্রা শুরু হওয়াটা বাংলাদেশের স্মার্ট উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাওয়ার একটি দারুণ পদক্ষেপ। রবি বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত উন্নয়নের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ। সাইফারের যাত্রা রবি’র সেই প্রতিশ্রুতিকেই তুলে ধরে। রবি’র সহযোগিতায় অ্যাকজেনটেক পিএলসি দেশকে ডিজিটাল সম্ভাবনার দিকে নিতে প্রযুক্তিগত সমাধান উদ্ভাবনের জন্য সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত। ’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত দেশের প্রথম ডিজিটাল জেলা যশোরে উদ্বোধন হলো দেশের প্রথম সার্টিফায়েড টিয়ার ফোর কমার্শিয়াল কো লোকেশন ডাটা সেন্টার সাইফার। অ্যাকজেনটেক ও রবির এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে। আমরা গর্বের সাথে বর্হিবিশ্বকে বলতে পারি যে আমাদের দেশেও বিশ্বমানের ডাটা সেন্টার রয়েছে।

এই পথ অন্যরাও অনুসরণ করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে আরও সমৃদ্ধশালী করবে বলে আশা প্রকাশ করেন জুনাইদ আহমেদ পলক।

বাংলাদেশ সময়: ১৮০৬ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৪
এমআইএইচ/এএটি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।