ঢাকা, শুক্রবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ২৪ মে ২০২৪, ১৫ জিলকদ ১৪৪৫

তথ্যপ্রযুক্তি

পঞ্চম শিল্পবিপ্লব উপযোগী ব্রডব‌্যান্ড নীতিমালার আহ্বান

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৬৩৯ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
পঞ্চম শিল্পবিপ্লব উপযোগী ব্রডব‌্যান্ড নীতিমালার আহ্বান

ঢাকা: ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, সব অংশীজন ও বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে পঞ্চম শিল্পবিপ্লবের উপযোগী একটি ব্রডব‌্যান্ড নীতিমালা করা সময়ের দাবি।

২০৪১ সালকে সামনে রেখে ডিজিটাল প্রযুক্তির সম্ভাব‌্য পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস‌্যপূর্ণ একটি নীতিমালা প্রণয়নের মাধ‌্যমে জনগণের চাহিদা উপযোগী ব্রডব‌্যান্ড নীতিমালা প্রণয়নে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি।

বুধবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বিটিআরসি আয়োজিত ব্রডব‌্যান্ড পলিসি নিয়ে এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ব্রডব্যান্ডের প্রয়োগ ক্ষেত্র থেকে শুরু করে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিবেচনা করে পলিসি তৈরি করতে হবে। চথুর্থ শিল্পবিপ্লব নিঃসন্দেহে এই বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে থাকে যে, আমরা ইন্টারনেটকে অ্যাফর্ডেবল করছি কিনা।

তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দিকে যদি তাকাই তাহলে ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল বোধ হয় এখন গত হয়ে গিয়েছে। আমরা এখন পঞ্চম শিল্পবিপ্লকের যুগে বাস করছি। ফাইভ-জির সাথে ফিফথ ইন্ডাস্ট্রিয়িাল রেভ্যুলেশন ম্যাচ করে সুন্দর। অতএব আমরা ফিফথ ইন্ডাস্ট্রিয়িাল রেভ্যুলেশনের যুগে বাস করে যদি সামনের পরিকল্পনা করি তাহলে ১৫-২০ এমবিপিএসের মধ্যে যদি ভবিষ্যত পরিকল্পনা দেখি তাহলে মনে হয় না ঠিক হবে। আমাদের চিন্তা করার সময় হয়েছে, ব্রড ব্যান্ড জিপিপিএসে গিয়ে যেন ট্রান্সফার হয়। সেটি গিয়ে যেন এমন জায়গায় গিয়ে দাঁড়ায়, যাতে মানুষ সত্যিকারের যে অভিজ্ঞতাটা ইন্টারনেট থেকে পাওয়ার কথা, সেই অভিজ্ঞতাটা যেন পায়।

মন্ত্রী উপজেলা পর্যন্ত ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক গৃহীত উদ‌্যোগের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ফাইভ-জির মাধ‌্যমে আমরা যে ডিজিটাল মহাসড়ক নির্মাণ করছি, তা হবে ৪১ সালের উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার অন‌্যতম প্রধান শক্তি।

যেকোনো নীতিমালা প্রণয়ন অত‌্যন্ত কঠিন কাজ বলে উল্লেখ করে মোস্তাফা জব্বার ব্রডব‌্যান্ড পলিসিকে আগামী ২০ বছরের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে করতে হবে বলে মত প্রকাশ করেন। কর্মপরিকল্পনা যথার্থ না হলে কোনো নীতিমালাই স্বয়ং সম্পূর্ণতা পায় না বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বিটিআরসির চেয়ারম‌্যান শ‌্যাম সুন্দর সিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. খলিলুর রহমান, এলায়েন্স ফর অ্যাফর্ডেবল ইন্টারনেটের এশীয় প্রশান্তমহাসাগীয় প্রধান আনজু মঙ্গল, এটুআই এর পলিসি এডভাইসার আনির চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ‌্যালয়ের অধ‌্যাপক লতিফা জামাল প্রমূখ বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিটিআরসির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসিম পারভেজ।

বিটিআরসি চেয়ারম‌্যন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি ছিল বলেই করোনাকালেও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অবস্থা সুদৃঢ় রাখতে সক্ষম হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশকে আরও শক্তিশালী করতে বিটিআরসি নিরলসভাবে কাজ করছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৬৩৬ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
এমআইএইচ/এমজেএফ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।