ভাইরাসটির বিষয়ে চীনের নেওয়া পদক্ষেপের প্রশংসা জানিয়ে তিনি বলেন, এই চ্যালেঞ্জ দুর্দান্ত, কিন্তু এর প্রতিক্রিয়া ভয়াবহ।
আর ভাইরাসটির বিষয়ে ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য জরুরি’ অবস্থায় রয়েছে কিনা তা নিয়ে বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) ফের সভায় বসছে হু।
পড়ুন>> শিগগিরই আসছে নোভেল করোনা ভাইরাসের টিকা!
গত বছরের ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম শনাক্ত হয় করোনা ভাইরাসের। মাত্র দেড় মাসের ব্যবধানে প্রাণঘাতী ভাইরাসটি চীনের বিভিন্ন অঞ্চল ছাড়াও বিশ্বের অন্তত ১৬টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এখন পর্যন্ত চীনে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ১৩০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত রয়েছেন আরো ছয় হাজার মানুষ।
প্রাণঘাতী এ ভাইরাসের কোনো প্রতিষেধক তৈরি করা এখনও সম্ভব হয়নি বিজ্ঞানীদের পক্ষে। যদিও চিকিৎসার মাধ্যমে বেশ কয়েকজনের সুস্থ হওয়ার কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো।
হু’র ড. রায়ান বলেন, চীনে পাঠানোর জন্য বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত একটি দল একত্রিত করা হয়েছে। সেখানে গিয়ে তারা ভাইরাসটি কীভাবে বিস্তার লাভ করছে সে বিষয়ে কাজ করবেন।
আমরা ভাইরাসটির বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে রয়েছি। বিশ্বাস করি, ভাইরাসটির ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে এখনও অনেক কিছু করার রয়েছে, বলেন রায়ান।
এদিকে অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানীরা চীনের বাইরে এই প্রথম ভাইরাসটি পুনরায় তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন বলে দাবি করেছেন। যার ফলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে ভাইরাসটি প্রতিরোধে আশার আলো দেখা যাচ্ছে।
সম্প্রতি চীন সফরে যাওয়া হু’র মহাপরিচালক টেডরস আদানম গিব্রিয়াস জানিয়েছেন, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত অধিকাংশেরই ‘সামান্য লক্ষণ’ রয়েছে। কিন্তু ২০ শতাংশের অবস্থা মারাত্মক। তারা নিউমোনিয়াসহ শ্বাসযন্ত্রের জটিলতায় ভুগছেন।
এসময় তিনি মানুষের মাধ্যমে জার্মানি, ভিয়েতনাম এবং জাপানে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশ সময়: ০২০০ ঘণ্টা, জানুয়ারি ৩০, ২০২০
জেডএস