ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৬ শাবান ১৪৪৫

আইন ও আদালত

ক্রিকেটার আল আমিনের মামলার প্রতিবেদন ২ ফেব্রুয়ারি

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৪৩১ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২, ২০২৩
ক্রিকেটার আল আমিনের মামলার প্রতিবেদন ২ ফেব্রুয়ারি

ঢাকা: যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে নির্যাতন, মারধর ও বাচ্চাসহ বের করে দেওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের পেসার আল আমিন হোসেনের নামে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়ে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি ধার্য করেছেন আদালত।  

সোমবার (২ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আতাউল্লাহ প্রতিবেদন দাখিলের নতুন এদিন ধার্য করেন।

 

সিএমএম আদালতে মিরপুর মডেল থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) শেখ রাকিবুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

গত ১ সেপ্টেম্বর আল আমিনের নামে স্ত্রী ইসরাত জাহান মিরপুর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পরদিন আল আমিনের নামে করা অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়।

সেই মামলায় আজ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার এসআই সোহেল রানা প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। তাই বিচারক প্রতিবেদন দাখিলের নতুন এদিন ধার্য করেন।  

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০১২ সালের ২৬ ডিসেম্বর পারিবারিকভাবে ক্রিকেটার আল আমিন হোসেনের সঙ্গে ইসরাত জাহানের বিয়ে হয়। তাদের দুই সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে এ পর্যন্ত সংসারকালে পারিবারিক বিষয় নিয়ে আল আমিন তার স্ত্রী ইসরাতের কাছে ফ্ল্যাটের মূল্য পরিশোধ বাবদ ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন।

যৌতুক না দেওয়ায় তার ওপর নির্যাতন করতে থাকেন আল আমিন। সবশেষ গত ২৫ আগস্ট আল আমিন তার স্ত্রীর কাছে যৌতুক দাবি করলে এ নিয়ে বাগবিতণ্ডা হয়। এ সময় আল আমিন তাকে এলোপাতাড়ি কিল, ঘুষি ও লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। এরপর তিনি সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে চিকিৎসা শেষে থানায় অভিযোগ করেন।  

মামলা দায়েরের পর গত ৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট থেকে ৮ সপ্তাহের জামিন নেন আল আমিন। আট সপ্তাহ পর তাকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৪৩০ ঘণ্টা, জানুয়ারি ০২, ২০২২
কেআই/আরবি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।