ঢাকা, শনিবার, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৩ শাবান ১৪৪৫

আইন ও আদালত

তেজগাঁও শিল্প এলাকার ৪৩৫ প্লট মালিকের তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৮১১ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৩
তেজগাঁও শিল্প এলাকার ৪৩৫ প্লট মালিকের তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট ফাইল ফটো

ঢাকা: রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় বরাদ্দ পাওয়া ৪৩৫ প্লট মালিকের তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে প্লটগুলোর বর্তমান অবস্থান ও ফটোগ্রাফ এবং লে আউট প্ল্যান দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে দাখিলের এ নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান ও বিচারপতি এ কে এম রবিউল হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে হিউম্যান রাইটস এন্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নজরুল ইসলাম খন্দকার।

পরে মনজিল মোরসেদ জানান, ২০১২ সালে দৈনিক কালের কণ্ঠ এবং দৈনিক সমকাল পত্রিকায় ওই এলাকার প্লট বরাদ্দ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেটি আমলে নিয়ে হাইকোর্ট স্বপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করেন। সেই রুল শুনানিতে বুধবার বরাদ্দ পাওয়া ৪৩৫ প্লট মালিকের তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট।

২০১২ সালের ৯ মে তত্কালীন একজন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হাতিরঝিল-বেগুনবাড়ী প্রকল্পের রাস্তার জমি ও নকশাবহির্ভূত জমি প্লট আকারে বরাদ্দ দেওয়া ও নেওয়ায় বিষয়ে দৈনিক কালেরকণ্ঠ ও সমকালে প্রকাশিত দু’টি প্রতিবেদন আদালতের নজরে আনেন। এরপর আদালত আদেশ দেন।

২০১০ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত দৈনিক কালের কণ্ঠের ওই প্রতিবেদেন বলা হয়, ১৯৯৪ সালে সংশোধিত তেজগাঁও শিল্প এলাকার নকশা থেকে দেখা গেছে, সাতরাস্তা থেকে মহাখালী যাওয়ার পথে পূর্বদিকে লাভ লেন ধরে শ দুয়েক গজ এগোলেই একপাশে সারি বেঁধে ১৩৬, ১৩৭, ১৩২ ও ১২৯ নম্বর হোল্ডিং। অন্যপাশে ১৩৭, ১৩৮, ১৭১ ও ১৭২ নম্বর হোল্ডিং। দুই পাশের হোল্ডিংগুলোর মাঝ দিয়ে হাতিরঝিল অভিমুখী ৬০ ফুট চওড়া রাস্তা। এ রাস্তাকেই বানানো হয়েছে প্লট।  

বাংলাদেশ সময়: ১৮১১ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৩
ইএস/জেএইচ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।