খালেদার আইনজীবীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার (১০ সেপ্টেম্বর) নট টু ডে (আজকে নয়) আদেশ দেন।
আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
এর আগে রোববার (৯ সেপ্টেম্বর) রিট করেন খালেদা জিয়া।
ওইদিন খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, খালেদা জিয়া কারাগারে। তিনি অনেক অসুস্থ, তার বাম পা ও হাত প্রায় অকেজো। এ অবস্থায় আমরা তার সুচিকিৎসা চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছি।
আদালতের অনুমতি নিয়ে রিটটি দায়ের করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার নওশাদ জমির। আবেদনে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য একটি বিশেষ বোর্ড গঠন করার নির্দেশনাসহ তার চিকিৎসাসেবা-সংক্রান্ত যাবতীয় নথিপত্র দাখিলের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রসচিব, আইজি (প্রিজন), ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সুপারসহ সংশ্লিষ্ট সাতজনকে রিটে বিবাদী করা হয়েছে।
আরও পড়ুন> স্বাস্থ্যপরীক্ষার পর কারাগারে নেয়া হচ্ছে খালেদাকে
গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের দণ্ড দেন আদালত। সেই থেকে নাজিমুদ্দিন রোডের পুরনো কারাগারে বন্দি রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন।
এর মধ্যে তাকে ৭ এপ্রিল রাজধানীর শাহবাগের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নেওয়া হয়েছিলো। সেসময় খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহ আল হারুন বলেছিলেন, আপাত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে খালেদা জিয়া ভালো আছেন। তিনি হেঁটে হেঁটেই এক্স-রে রুমে গেছেন।
হাসপাতালের বি-ব্লকে প্রশাসনিক ভবনের নিচতলার সভাকক্ষে আয়োজিত ওই ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের চিকিৎসকদের নিয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখানকার রেডিওলজি ও ইমেজিং বিভাগে খালেদা জিয়ার কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৫৫৫ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৮
ইএস/আরআর