কষ্ট করে রান্না করার পর একটা ছবি তুলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে পারলেই যেন অর্ধেক কষ্ট কমে যায়। এরপর যখন সবাই পছন্দ করে মন্তব্য করেন, এগুলো দেখে ইচ্ছা হয় নতুন করে কিছু রান্না করার।
কারণ ছবি সুন্দর হলে খাবারের প্রতি আগ্রহ তৈরি হবে সবার। যার ফলে ব্যবসায় দ্রুত উন্নতি করা যাবে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ফুড ফটোগ্রাফি এজন্যই উদ্যোক্তাদের জন্য বেশি জরুরি।
গুগলে ছবি না খুঁজে নিজের তৈরি খাবারের ছবি দিয়েই সবার মন জয় করতে জেনে নিন কিছু ছোট নিয়ম। যা মেনে তুললেই আপনার ছবি হিট:
• ফুড ফটোগ্রাফি করার সময় অবশ্যই পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দিতে হবে
• ছবি দেখেই যেন সবার মনে হাইজিন নিয়ে কোনো সংশয় না থাকে
• ক্রাফটিং এর ক্ষেত্রে ব্যাকগ্রাউন্ড /ব্যাকড্রপ সাদা,হালকা শেডের কালার রাখলে বেশি সুন্দর হয়
• অন্যদিকে ফুডের জন্য লাল,হলুদ,কমলার কম্বিনেশনে খাবার টা বেশি লোভনীয় লাগে
• সুন্দর সুন্দর প্রপস,সার্ভিং ডিশ, শো-পিস দিয়ে ছবি তুলতে হবে
• আলোর সঠিক ব্যবহার জানতে হবে, প্রয়োজনে অনলাইনে বা যারা জানেন তাদের কাছে পরামর্শ নিন
• ব্যাকগ্রাউন্ড, কালার কম্বিনেশনের পাশাপাশি প্রপসও ভূমিকা রাখে
• ছবিটা যত জীবন্ত করে তুলতে পারবেন এর গ্রহণযোগ্যতা তত বেশি
• কিছু মজার ট্রিকসও রয়েছে, খাবারের ছবি আকর্ষণীয় করার। যেমন ধোঁয়া ওঠা কফির মগ দেখতে পাই। তুলাকে ভিজিয়ে মাইক্রোওয়েভ ওভেনে গরম করে খাবারের পেছনে রেখে ছবি তোলা হয়। আমরা যখন ছবিতে দেখি, মনে হয় খাবার থেকেই ধোঁয়া উড়ছে।
• দুধের জায়গায় গ্লু, স্ট্রবেরি টকটকে দেখাতে লাল লিপস্টিক, সসের সাথে মোম ব্যবহারের ফলেই আমরা পাই আকর্ষণীয় ইয়ামি খাবারের ছবি। তবে এগুলো কিন্তু খাওয়ার জন্য নয়, শুধুই ছবি সুন্দর করার রহস্য।
মনে রাখবেন, খাবারের স্টিল পিকচারের চেয়ে কাপে চা ঢালা হচ্ছে, ধোঁয়া উঠছে এরকম ছবির গ্রহণযোগ্যতা বেশি। মানে মানুষকে বেশি আকৃষ্ট করে। সবচেয়ে গুরুত্ব দেওয়া উচিত প্রেজেন্টেশনে। আগে ভাবতে হবে, কেমন ছবি দেখলে আমার নিজের খেতে ইচ্ছা করে।
বাংলাদেশ সময়: ১৪১৪ ঘণ্টা, জানুয়ারি ১৬, ২০২১
এসআইএস