ঢাকা, সোমবার, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ২৭ মে ২০২৪, ১৮ জিলকদ ১৪৪৫

জাতীয়

ঈদের তৃতীয় দিনে চিড়িয়াখানায় দেড় লাখ দর্শনার্থী

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৭৫৭ ঘণ্টা, এপ্রিল ১৩, ২০২৪
ঈদের তৃতীয় দিনে চিড়িয়াখানায় দেড় লাখ দর্শনার্থী

ঢাকা: রাজধানীর মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানায় ঈদের তৃতীয় দিনেও দর্শনার্থীদের ভিড়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের দ্বিতীয় দিন দুই লাখের বেশি দর্শনার্থী চিড়িয়াখানায় এসেছিলেন।

ঈদের তৃতীয় দিনে দেড় লাখ দর্শনার্থী এসেছেন। রোববার সাপ্তাহিক বন্ধ হলেও পহেলা বৈশাখে খোলা থাকছে চিড়িয়াখানা।  

শনিবার (১৩ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর মিরপুরে জাতীয় চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থী আসতে দেখা যায়। আগত দর্শনার্থীদের অধিকাংশ শিশু-কিশোর যারা অভিভাবকদের সঙ্গে এসেছেন। চিড়িয়াখানায় অবস্থিত বিভিন্ন পশুর খাঁচার সামনে এসে তারা ভিড় করছেন। তারা অভিভাকদের কাছে পশু পাখিদের নাম জানতে চাচ্ছে। বাঘ ও সিংহের খাঁচার সামনে যাওয়ার বায়না ধরছে বাবা মার কাছে শিশুরা। অভিভাবকরাও তাদের সন্তানদের আগ্রহ নিয়ে বিভিন্ন পশুর খাচার সামনে নিয়ে যাচ্ছেন। বিভিন্ন প্রাণীর খাঁচার সামনে দর্শনার্থীদের ভিড় করতে দেখা যায়।  

গাজীপুর থেকে চিড়িয়াখানায় এসেছেন মমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, দুপুর ১২ টায় চিড়িয়াখানায় এসেছি। পরিবার আর ছোট ভাইদের নিয়ে এখানে এসেছি। ঘুরছি ভালোই লাগছে কিন্তু তবে আজকেও ভিড় আছে। ভেবেছিলাম আজকে ভিড় কম হবে কিন্তু এসে দেখি ভাবনাটা পুরাই ভুল।

তিনি বলেন, ছোটবেলায় যখন চিড়িয়াখানায় এসেছিলাম তখন থেকে বর্তমান অবস্থা মোটামুটি ভালো। অনেক দিন পরে আবার আসলাম চিড়িয়াখানায়।  

ফার্মগেট মনিপুর পাড়া এলাকা থেকে চিড়িয়াখানায় এসেছেন নাসিম হোসেন। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা নাসিম তিনি বলেন, দুপুর ২টার দিকে আমার পরিবার, বন্ধু ও তার পরিবার পরিজনদের সঙ্গে করে চিড়িয়াখানায় এসেছি। বাচ্চাদের নিয়ে আমরা মোট ৭ জন এসেছি। চিড়িয়াখানায় আসা বাচ্চাদের জন্য। বাচ্চারা আসলে পশুপ্রাণীগুলোকে সামনাসামনি দেখে ওরা অনেক আনন্দিত ও পরিচিত হচ্ছে। প্রাণীগুলোর প্রতি শিশুদের কৌতূহল আরও বাড়ছে। আমাদের আনন্দ বলে কিছু নেই, বাচ্চাদের আনন্দই আমাদের আনন্দ।

চিড়িয়াখানার পরিচালক ড. মো. রফিকুল ইসলাম তালুকদার বাংলানিউজকে বলেন, ঈদের দিন চিড়িয়াখানার দর্শনার্থী এসেছিল এক লাখের একটু বেশি। ঈদের দ্বিতীয় দিন দুই লাখের বেশি দর্শনার্থী চিড়িয়াখানা এসেছে। ঈদের তৃতীয় দিন (আজকে) এসেছে প্রায় দেড় লাখ দর্শনার্থী।  

এক প্রশ্নের জবাবে চিড়িয়াখানা পরিচালক বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত দুই প্রজাতির প্রাণী বিক্রি করার অনুমতি পেয়েছি। হরিণ ও নীল ময়ূর আমরা নিয়মিত বিক্রি করছি। চিড়িয়াখানায় আমাদের জলহস্তীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। নিয়মিত চিড়িয়াখানায় প্রাণী জন্ম নিচ্ছে। একটি এন্ট্রোযারে নির্দিষ্ট সংখ্যক প্রাণী সেখানে রাখা যায়। ধারণ ক্ষমতার বেশি প্রাণী রাখলে এক একটি প্রাণীর জন্য যে জায়গা প্রয়োজন সেই জায়গা কমে আসে।  

জাতীয় চিড়িয়াখানার সাপ্তাহিক বন্ধ থাকে রোববার। চিড়িয়াখানা প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকে। রোববার চিড়িয়াখানা খোলা থাকবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, রোববার চিড়িয়াখানার ছুটি থাকা সত্ত্বেও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে চিড়িয়াখানা খোলা থাকবে।

বাংলাদেশ সময়: ১৭৫৭ ঘণ্টা, এপ্রিল ১৩, ২০২৪
এমএমআই/জেএইচ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
welcome-ad