ঢাকা, বুধবার, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩০, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৭ শাবান ১৪৪৫

রাজনীতি

ছাত্রদলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ

মহসিন হোসেন, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৬৫৩ ঘণ্টা, জানুয়ারি ৪, ২০২৩
ছাত্রদলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ

ঢাকা: ছাত্রদলের সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবন ও সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েলের নামে কমিটি বাণিজ্য, এলাকার অযোগ্যদের গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন, সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েলের নামে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে দলের সিনিয়র নেতারা লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে লন্ডন বিএনপি সূত্রে জানা গেছে।

এছাড়া ছাত্রদল ঢাবি ক্যাম্পাস ছাড়া হওয়ার নেপথ্যে জুয়েলের রহস্যময় ভূমিকাও বেরিয়ে এসেছে। সেই সঙ্গে ছাত্রদলকে বরিশাল সমিতিতে পরিণত করেছেন তিনি। ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটে বরিশালের বাসিন্দা হলেই পদায়ন করা হয়েছে। এতে কৌশলে যোগ্যদেরকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ করছে ছাত্রদল নেতারা।

অভিযোগের বিষয়ে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বাংলানিউজকে বলেন, ভাই আমার বাড়ি বরিশাল এজন্যই যত অভিযোগ। ১৫ বছর যাবত আমরা বিরোধী দলে। এখন ঢাকা শহরের কোনো ছাত্রদল নেতা নেই যে টাকা দিয়ে কমিটিতে আসতে চায়। আপনিও জানেন যারা ছাত্রদল করে বেশিরভাগই নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান।

আঞ্চলিকতার বিষয়ে তিনি বলেন, ১০ ডিসেম্বরের আগে ৪২০ জন ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার হয়েছেন। তারমধ্যে ১২০ জনই বরিশালের। এসব বিষয় কেউ লেখে না। আর কমিটিতে বরিশালের যারা স্থান পেয়েছেন তারা সবাই আমার লোক না। সভাপতি শ্রাবনের অনুসারী অনেকের বাড়িও বরিশালে।

সুত্র জানায়, অতীতে বিএনপির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন সংগ্রামে সম্মুখভাগে অংশ নিয়ে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে ছাত্রদল। বিশেষ করে নব্বইয়ের দশকে এরশাদবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদলের অবদান এখনো মানুষ স্মরণ করে। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় সেই গৌরব হারাতে বসেছে সংগঠনটি। দীর্ঘদিন কমিটি পুনর্গঠন ও হালনাগাদ না করা এবং অভ্যন্তরীণ গ্রুপিং কোন্দলের কারণে নেতৃত্বের বিকাশ ঘটাতে পারছে না ছাত্রদল।

জানা গেছে, ২০২২ সালের ১৭ এপ্রিল সাংগঠনিক অভিভাবক, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সুপার ফাইভ কমিটি ঘোষণা করেন। এতে আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে জড়িত পরিবারের সন্তান কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণকে সভাপতি, সাইফ মাহমুদ জুয়েলকে সাধারণ সম্পাদক, রাশেদ ইকবাল খান সিনিয়র সহ-সভাপতি, রাকিবুল ইসলাম রাকিব সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহিয়াকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়। পরবর্তীতে তাদের নেতৃত্বে ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়।  

কমিটিতে স্থান পাওয়াদের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আর্থিক লেনদেনকে প্রাধান্য দিতে গিয়েই ছাত্রদলের নতুন কমিটিতে বিবাহিত, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীর সংখ্যা বেশি। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নিজস্ব বলয়ে রাজনীতি করে বিবাহিত, অপহরণ ও মোটরসাইকেল ছিনতাই মামলার আসামিরা কমিটিতে ঠাঁই পেয়েছেন। প্রাধান্য পেয়েছেন বরিশাল ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের নেতা-কর্মীরা। ৩০২ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ৪৫ জনের বেশি আছেন বিবাহিত। ছাত্রজীবন শেষ করে অনেকেই চাকরি করছেন। অছাত্র, বিবাহিত, জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘনসহ অসংখ্য অসামঞ্জস্য দিয়েই গঠিত হয়েছে ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি। শুধু তাই নয়; সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ছাত্রদলের কমিটিতে পদায়ন পাওয়া এমন ৫৭ জনের একটি তালিকা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী (কারাগারে যাওয়ার পূর্বে) বরাবর পাঠান পদ বঞ্চিত ত্যাগী নেতা-কর্মীরা। তখন প্রাথমিক অবস্থায় অভিযোগ আমলে নিয়ে ৩২ জনের পদ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়।

এ বিষয়ে সাধারণ সম্পাদক জুয়েল বলেন, পৃথিবীতে সবচেয়ে সহজ কাজ হলো একজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেওয়া। আমার বিরুদ্ধেও সবাই অভিযোগ দেয়। আসলে কেউ প্রমাণ করতে পারে না। কারও কাছ থেকে এক টাকা নিয়েছি এমন কেউ প্রমাণ দিতে পারবে না।

ছাত্রদল ঢাবি ক্যাম্পাস ছাড়া হওয়ার নেপথ্যে: গত বছর (২০২২) ২৪, ২৫ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-ছাত্রলীগ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঠিক যখন ক্যাম্পাসে এই ঘটনা ঘটে তখন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের জয়-লেখক কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি হওয়ার কথা। অপরদিকে তার কিছুদিন আগে ছাত্রদলের শ্রাবণ-জুয়েল কমিটি হয়।

ছাত্রদলের সাবেক এক কেন্দ্রীয় নেতা যিনি সাইফ মাহমুদ জুয়েলের গ্রুপের বড় ভাই। তিনি ছাত্রলীগের সদ্য সাবেক সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের আপন মামাতো ভাই। তিনি যেমন জয়কে দিয়ে ছাত্রলীগের বিভিন্ন কমিটিতে সুবিধা নিয়েছেন, তেমনি নিজ সংগঠনের এবং নিজ গ্রুপের ছোট ভাই জুয়েলের কাছে ছাত্রদলের তদবির করছেন।

আল নাহিয়ান খান জয়ের ছাত্রলীগের কমিটি যখন ভেঙে যাবে যাবে অবস্থা, তখন তিনি জুয়েলের ওই বড় ভাইয়ের শরণাপন্ন হন। অপরদিকে জুয়েল নতুন কমিটির পরে শো-আপ এবং হাইলাইটস হতে আগ্রহী ছিলেন। জয়ের কমিটি টেকানো এবং সাইফ মাহমুদ জুয়েলের হাইলাইটস হওয়ার ধান্দার ফসল হলো ঢাবি ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ-ছাত্রদলের সংঘর্ষের মূল কাহিনী। ঢাবি ক্যাম্পাসে যে প্রোগ্রামে জুয়েল শেখ হাসিনাকে নিয়ে বক্তব্য দেন তার আগের দিন ওই বড় ভাইয়ের মধ্যস্থতায় ধানমন্ডি স্টার কাবাবের সামনে একটি কালো রঙয়ের গাড়িতে জয়-জুয়েল আধঘণ্টারও বেশি সময় কথা বলেন। পরের দিন জুয়েল বক্তব্য দেওয়ার পরে প্রথমে জয়ের অনুসারীরাই ক্যাম্পাসে ছাত্রদলকে প্রতিহতের ঘোষণা দেয়।

ওই ঘটনা যে জয়-জুয়েলের পরিকল্পিত তা আরও স্পষ্ট হয় যখন জুয়েল ক্যাম্পাসে নিজ হাতে লাঠি নিয়ে ছাত্রলীগকে উসকে দেয়। যদিও দুই মিনিটের জন্য লাঠি হাতে নিয়ে জুয়েল সেদিন ঢাবি ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিপদে ফেলে চলে গিয়েছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের অভিযোগ জুয়েলের ব্যক্তিগত স্বার্থ চরিতার্থ করতে গিয়ে ছাত্রদল আজকে ক্যাম্পাস ছাড়া।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জুয়েল হাসি দিয়ে বলেন আপনার কী মনে হয় এত বড় ঘটনা মেকিং হতে পারে? আমার বাড়ি বরিশাল আর জয়ের বাড়ি বরিশাল সেজন্যই এসব অভিযোগ। আসলে জয়ের সঙ্গে গত চার বছরে আমার দেখা হয়নি। আর জয়ের ফোন নম্বরও আমার কাছে নেই।

ছাত্রদল যেন বরিশাল সমিতি: শ্রাবন-জুয়েল কমিটি এ পর্যন্ত ঢাকা মহানগরসহ যে কয়টা নতুন কমিটি দিয়েছে তার অধিকাংশের নেতৃত্বে বরিশালের আধিক্য দেখা যায় বলে অভিযোগ খোদ ছাত্রদল নেতাদেরই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রদল নেতারা বলেন, বাঙলা কলেজ ছাত্রদল কমিটির সভাপতি ইব্রাহিম বিপ্লবের বাড়ি পটুয়াখালী (বৃহত্তর বরিশাল), সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন সোহাগ বরগুনার।   সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সর্দার মিলন বরিশালের। ১৩ সদস্য বিশিষ্ট  কমিটির ৯ জনই বৃহত্তর  বরিশালের।

ঢাকা কলেজের সাধারণ সম্পাদক মৃধা জুলহাস পটুয়াখালীর। তিতুমীর কলেজের সভাপতি আরিফুর রহমান এমদাদ পিরোজপুরের। সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বরিশালের।

তেজগাঁও কলেজের সিনিয়র সহ-সভাপতি শামীম পালোয়ানের বাড়ি বরিশাল। সাধারণ সম্পাদক বেলাল খানও বরিশালের।   কবি নজরুল কলেজের সভাপতি সাঈদুর রহমান বরিশালের।   সাধারণ সম্পাদক  কাওছার হোসেন পটুয়াখালীর। সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক কে এম  সিরাজুল ইসলাম বরগুনার। সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান বরিশালের। ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির ৮ জন বৃহত্তর বরিশাল বিভাগের। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি আসাদুজ্জামান আসলামের বাড়ি বরিশাল। প্রচার সম্পাদক রুমির বাড়িও বরিশাল।

ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মেহেদী হাসান রুয়েল বরিশাল, সাধারণ সম্পাদক রাসেল বাবু বরিশাল, সাংগঠনিক সম্পাদক সাগর বাবুর বাড়ি বরিশালে। সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মনির হোসেন ভোলায়। এই কমিটিতে পরে স্থান পাওয়া দপ্তর ও সহ-দপ্তর সম্পাদকের বাড়িও বরিশাল। ঢাকা মহানগর পশ্চিমের সভাপতি আবুল কালাম নাসিরের বাড়ি বরিশাল, সাধারণ সম্পাদক জুয়েল হাসান রাজ বরিশালের। এই কমিটির দপ্তর ও সহ দপ্তর সম্পাদকের বাড়িও বরিশাল।

বিএনপির সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে বেয়াদবি: গত  ১০ ডিসেম্বর ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশনা ছিল, বিএনপির অংগ ও সহযোগী সংগঠন থেকে একজন করে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পাবে। ছাত্রদলও এর ব্যতিক্রম নয়। এই হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার জন্য মঞ্চ থেকে ছাত্রদল সভাপতির নাম ঘোষণা করা হয়। তখন বক্তব্য দিতে না পেরে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল গণসমাবেশের সঞ্চালনার দায়িত্বে থাকা ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল হক ও দক্ষিণের সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনুর সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে যান। তখন মঞ্চে প্রধান অতিথি ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনসহ বিএনপির সিনিয়র নেতারা বিব্রত বোধ করেন তার এমন আচরণে। এ বিষয়ে দলের পক্ষ থেকে ছাত্রদল নেতাদের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয় বলে বাংলানিউজের কাছে স্বীকার করেন সভাপতি শ্রাবন ও সাধারণ সম্পাদক জুয়েল। তবে তারা এটাকে বেয়াদবি মানতে নারাজ।

এছাড়া গত ১৩ ডিসেম্বর নয়া পল্টনে বিএনরি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক প্রতিবাদ সভায় কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিনের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল। এতে সমাবেশের পরিবেশের ছন্দপতন ঘটে। তার এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণে ক্ষুব্ধ হন কৃষকদলের সভাপতিসহ উপস্থিত কৃষক নেতারা। তখন কৃষকদলের নেতাকর্মীরা পাল্টা জবাব দিতে চাইলে সভাপতি তুহিন সবাইকে অনুরোধ করে শান্ত করেন। এ নিয়ে কৃষকদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এসব অভিযোগের বিষয়ে ছাত্রদলের সভাপতি বাংলানিউজকে বলেন, আমরা শুধু ঢাকা শহরের কমিটি দিয়েছি। এসব কমিটিতে বাণিজ্য করার সুযোগ নেই। আপনি নিজেও জানেন সবাই মফস্বল থেকেই ঢাকায় আসে, তারা কেউ টাকা পয়সা দেয় না।

কমিটিগুলোতে বরিশালের নেতাদের প্রাধান্য দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, পদ দেওয়ার সময় আঞ্চলিকতা দেখা হয় না। যোগ্যতা অনুযায়ী পদ পেয়ে থাকেন। এ ক্ষেত্রে জীবন বৃত্তান্ত দেখা হয় কি না প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, পারিবারিক জীবনবৃত্তান্ত আমরা দেখি না। কার কোথায় বাড়ি তাও আমাদের জানা নেই।

গত ১০ ডিসেম্বর গোলাপবাগ মাঠে বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সমাবেশে বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে বেয়াদবির বিষয়ে জানতে চাইলে শ্রাবন বলেন, সেখানে মহানগর ছাত্রদল নেতারা চাচ্ছিলেন ছাত্রদল থেকে আমরা দু'জন বক্তব্য দেব। সেজন্য নাম ঘোষণার সময় সাধারণ সম্পাদক জুয়েল তাকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দিতে অনুরোধ করেছিলেন। এতে বেয়াদবি হয়েছে বলে আমি মনে করি না। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিওর বিষয়ে তিনি বলেন, ভিডিওটি দেখে দল থেকে আমাদের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল, আমরা ব্যাখ্যা দিয়েছি।

বাংলাদেশ সময়: ১৬৪৩ ঘণ্টা, জানুয়ারি ৪, ২০২৩
এমএইচ/এমএমজেড

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।