ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৯ ফাল্গুন ১৪৩০, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১ শাবান ১৪৪৫

রাজনীতি

সোমবার সমাবেশ করবে গণতন্ত্র মঞ্চ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৫৩০ ঘণ্টা, জানুয়ারি ১১, ২০২৩
সোমবার সমাবেশ করবে গণতন্ত্র মঞ্চ

ঢাকা: বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) ভবনের সামনে প্রতিবাদী সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে গণতন্ত্র মঞ্চ।

বুধবার (১১ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‌‘রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে গণতন্ত্র মঞ্চ আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচি থেকে ঘোষণা দেন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম।

সভাপতির বক্তব্যে হাসনাত কাইয়ুম বলেন, আপনারা জানেন আমরা বাংলাদেশের অপরাপর রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে একটি যুগপৎ ধারায় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার প্রক্রিয়ার মধ্যে আছি। সেই যুগপৎ ধারায় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের প্রক্রিয়া হিসেবে চলতি মাসের ১৬ তারিখ (সোমবার) বাংলাদেশের বিদ্যুতের মূল্য বাড়ানোর যে প্রস্তাব করেছে তার প্রতিবাদে বিইআরসি ভবনের সামনে সকাল ১১টা প্রতিবাদী অনুষ্ঠান হবে।

অবস্থান কর্মসূচি থেকে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, গণতন্ত্র মঞ্চের রাষ্ট্র সংস্থার আন্দোলনের আমার চুনারুঘাটের সংগঠক প্রীতম দাসকে মিথ্যা মামলায় গত ক’মাস ধরে তাকে জেলখানায় রেখে দেওয়া হয়েছে। আমরা আজ গণতন্ত্র মঞ্চ থেকে প্রীতম দাসসহ সব বন্দি বিরোধী দলীয় নেতাদের মুক্তি দাবি করছি।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বেশ কয়েকদিন ধরে উদ্বিগ্ন। তিনি গতকাল এই বক্তব্য রেখেছেন, অতি বাম এবং ডানপন্থীরা সরকারের বিরুদ্ধে এখন ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। অতি বামপন্থী কারা আমরা এটা জানি না, তবে এটা জানি দেশের সব বিরোধী দল একত্র হয়েছে। সব বিরোধী দল ও জনগণ রাজপথে আসছে। এই কর্তৃতবাদী সরকারের বিরুদ্ধে সবাই একত্রিত হয়েছে।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ধন্যবাদ পেতে পারে জানিয়ে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক বলেন, ২০১৪ সালে নির্বাচনী তামাশার পরে, ২০১৮ সালের ভোট ডাকাতির পরে বাস্তবিক এই সরকার সব বিরোধীদল এবং ১৭ কোটি মানুষকে তারা রাজপথে এক কাতারে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। এজন্য তারা ধন্যবাদ পেতেই পারে। এখানে বিস্ময়ের কিছু নেই।

সকাল থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত আওয়ামী লীগ মিথ্যা কথা বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, দেশে কোনো ভোটের ব্যবস্থা নেই, তারা নাকি ভোটের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। দেশে কোনো গণতান্ত্রিক অবস্থা নেই, তারা নাকি দেশে গণতান্ত্রিক সরকার। দেশে কোনো নাগরিক অধিকার নেই, তারা নাকি মানুষের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করছে। তারা প্রতিনিয়ত মিথ্যাচার করছে।

গণঅবস্থানে আরও বক্তব্য দেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মোহাম্মদ স্বপন, নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ্ কায়সার, ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খান প্রমুখ।

বাংলাদেশ সময়: ১৫৩০ ঘণ্টা, জানুয়ারি ১১, ২০২২
ইএসএস/এএটি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।