ঢাকা, সোমবার, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ২৭ মে ২০২৪, ১৮ জিলকদ ১৪৪৫

রাজনীতি

জনগণ এত বড় স্বৈরশাসক আর কখনো দেখেনি: আব্দুস সালাম

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৭১৯ ঘণ্টা, এপ্রিল ১, ২০২৪
জনগণ এত বড় স্বৈরশাসক আর কখনো দেখেনি: আব্দুস সালাম

ঢাকা: ইতিহাসের পাতায় সর্বনিকৃষ্ট স্বৈরশাসক হিসেবে আওয়ামী লীগের নাম লিপিবদ্ধ থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার আহ্বায়ক আব্দুস সালাম। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের জনগণ এত বড় স্বৈরশাসক আর কখনো দেখেনি।

সোমবার (১ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনের ভাসানী মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির জরুরি সভায় সভাপতির বক্তব্যে আব্দুস সালাম এ কথা বলেন।  

তিনি বলেন, ২০০৯ থেকে শেখ হাসিনা এবং তার দল আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পূর্ণ কুক্ষিগত করে ফেলেছে। বাংলাদেশ রাষ্ট্র আর আওয়ামী লীগ নামের এই রাজনৈতিক দলটি তাদের কাছে সমার্থক, তারা মনে করে যে তাদের দল এবং রাষ্ট্রের মাঝে কোনো পার্থক্য নেই। তাদের বিশ্বাস এই রাষ্ট্রের ক্ষমতায় থাকাটা তাদের ঐতিহাসিক অধিকার। বাংলাদেশের জনগণ এত বড় স্বৈরশাসক আর কখনো দেখেনি। ইতিহাসের পাতায় সর্বশ্রেষ্ঠ স্বৈরশাসক হিসেবে আওয়ামী লীগের নাম লিপিবদ্ধ থাকবে।

সালাম বলেন, মানবাধিকার এবং গণতন্ত্রের অবস্থা যেদিকে এগোচ্ছে তা নিয়ে বহির্বিশ্বের সরকারগুলোও প্রচণ্ড নিরাশ। শেখ হাসিনা এখন স্বৈরাচারী শাসক হিসেবে সারা পৃথিবীতে স্বীকৃত। এরা ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার জন্য মরিয়া।

সভায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু বলেন, আজকে আমাদের যে লড়াই চলছে তা দেশ রক্ষার লড়াই। দেশবাসীর গণতন্ত্র ও বাকস্বাধীনতা ফিরিয়ে আনার লড়াই। এ লড়াইয়ে আমাদের জয়ী হতেই হবে। ফিরিয়ে আনতে হবে মানুষের অধিকার। একটি ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করে জয়লাভ করা কঠিন। এর জন্য আমাদের জীবনবাজি রাখতে হবে। রক্ত দিয়ে হলেও মানুষের হারিয়ে যাওয়া স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে হবে।

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক ইউনুস মৃধা, আবদুস সাত্তার, হাজী মনির হোসেন, দপ্তরের দায়িত্বে থাকা সাইদুর রহমান মিন্টু, সদস্য এম এ হান্নান, আরিফুর রহমান নাদিম, শেখ মোহাম্মদ আলী চায়না, লতিফুল্লাহ জাফরু, শামসুল হুদা কাজল, ওমর নবী বাবু, আবুল খায়ের লিটন, জামসেদুল আলম শ্যামল, আরিফা সুলতানা রুমা, নাদিয়া পাঠান পাপন, সাইফুল্লাহ খালেদ রাজন প্রমুখ।

বাংলাদেশ সময়: ১৭১৭ ঘণ্টা, এপ্রিল ০১, ২০২৪
টিএ/এইচএ/

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।