রোববার (৮ এপ্রিল) দুপুর ২টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে জড়ো হন শিক্ষার্থীরা। আড়াইটার দিকে তারা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, টিএসসির রাজু ভাস্কর্য, নীলক্ষেত হয়ে বর্তমানে শাহবাগে অবস্থান নিয়েছেন।
পাঁচ দফা দাবিতে সারাদেশে এই গণপদযাত্রা কর্মসূচি পালন করছে ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’।
কোটা সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন বলেন, কোটা পদ্ধতির সংস্কার ছাড়া আন্দোলনকারীরা রাজপথ ছাড়বে না। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কোটায় প্রার্থী পাওয়া না গেলে তা মেধায় পূরণ করা হবে। কিন্তু মন্ত্রণালয় থেকে কোটা বিষয়ক যে পরিপত্র জারি করা হয়েছে তাতে কোটা দিয়ে কোটা পূরণ করার কথা বলা হয়েছে। এটা প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
আন্দোলনকারীরা কোটা পদ্ধতির সংস্কার চেয়ে বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাকার্ড বহন করছেন।
প্রসঙ্গত, কোটা পদ্ধতির সংস্কারসহ পাঁচ দফা দাবিতে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও জেলা পর্যায়ে আন্দোলন কর্মসূচি পালন করছেন চাকরি প্রত্যাশীরা। তাদের দাবিগুলো হলো- কোটা ব্যবস্থা সংস্কার করে ৫৬ ভাগ থেকে ১০ ভাগে নিয়ে আসা, কোটায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে শূন্যপদে মেধা তালিকা থেকে নিয়োগ দেওয়া, কোটায় কোনো ধরনের বিশেষ নিয়োগ পরীক্ষা না নেওয়া, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে সবার জন্য অভিন্ন বয়সসীমা নির্ধারণ করা এবং চাকরি নিয়োগ পরীক্ষায় কোটা সুবিধা একাধিকবার ব্যবহার না করা।
বাংলাদেশ সময়: ১৫৩৫ ঘণ্টা, এপ্রিল ০৮, ২০১৮
এসকেবি/আরআর