সোমবার (৩০ এপ্রিল) সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ জানান মারধরের শিকার হওয়া নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের ৪২তম ব্যাচের শহীদ রফিক-জব্বার হলের শিক্ষার্থী জিয়াউল হক।
অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা অভিষেক মণ্ডল জাবি শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ৪১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।
জানা যায়, রোববার (২৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী জিয়াউল হলের দোকানে খেতে গেলে অভিষেক তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন এবং হল থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। এর প্রতিবাদ করায় অভিষেক ও তার অনুসারীরা জিয়াকে পেটায়। এরপর জিয়াকে হল থেকে বের করে দেওয়া হয়।
জিয়াউল জানান, গত ৯ এপ্রিল সবার সঙ্গে তিনিও কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন। অভিষেক মণ্ডল ওইদিন তাকে সবার সামনে সেন্ট্রাল ফিল্ডে মারধর করে। অভিষেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র লিখলেও ভয়ে তা জমা দেননি তিনি।
জিয়াউল পরে বাড়িতে চলে যান। রোববার তিনি বাড়ি থেকে ফিরেন। সন্ধ্যার দিকে হলের দোকানে নাস্তা করতে গেলে অভিষেক তাকে মারধর করে হল থেকে বের করে দেয়। সেইসঙ্গে তার মোবাইল ফোনটিও ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
এ বিষয়ে ছাত্রলীগ নেতা অভিষেক মণ্ডল বলেন, সে (জিয়াউল) নাশকতার পরিকল্পনা করছিল। তাই তাকে চড়-থাপ্পড় দিয়েছি। বলেছি হলে থাকার দরকার নেই। আর তার মোবাইল ফোন নেওয়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি।
শহীদ রফিক-জব্বার হলের ভারপ্রাপ্ত প্রধ্যক্ষ অধ্যাপক গোলাম মোস্তাফা বলেন, এক ছাত্রকে হল থেকে বের করে দেওয়ার অধিকার আরেক ছাত্রের নেই। এমন অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে প্রোক্টর সিকদার মো. জুলকারনাইন বলেন, অভিযুক্ত এবং অভিযোগকারী দু’জনকেই ডাকা হয়েছে। ঘটনা ভালোভাবে জানার পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ সময়: ১৯৩০ ঘণ্টা, এপ্রিল ৩০, ২০১৮
এনএইচটি