খুলনা: শহীদ মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার ও আনছারের রক্তস্নাত কপিলমুনি মুক্ত দিবস ৯ ডিসেম্বর। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর প্রাক্কালে এবারই প্রথম সরকারিভাবে দিবসটি পালিত হচ্ছে।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বুধবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স নির্মাণ কাজের উদ্বোধন, রায় সাহেব বিনোদ বিহারী সাধুর বাড়িতে স্থাপিত রাজাকার ক্যাম্প পরিদর্শন ও দুপুর ১টায় মাহমুদকাটি অনির্বাণ লাইব্রেরি পরিদর্শন করবেন।
মন্ত্রী বিকেল ৩টায় কপিলমুনি হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগদান ও বিকেল ৫টায় খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।
১৯৭১ সালের ৭ ও ৮ ডিসেম্বর একটানা যুদ্ধের পর ৯ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় ১৫৫ জন রাজাকার আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। রাজাকারদের পতন ও কপিলমুনি হাইস্কুল মাঠে আত্মসমর্পণের সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে চতুর্দিক থেকে জড়ো হতে থাকে জনতা। উপস্থিত জনতার সমন্বয়ে একটি গণআদালত গঠন করে রাজাকারদের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করা হয়। দুপুর ২টা এ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে তাদের পতনের মধ্য দিয়ে মুক্ত করা হয় কপিলমুনি।
বাংলাদেশ সময়: ১২১৪ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
এমআরএম/আরবি