বইমেলা থেকে: আজকের দিনটা ফুরোলেই ভালোবাসা দিবস। আর তার আগের সময়টা ফাল্গুনের প্রথম দিনের; তাই এমন মুহূর্তগুলো গতানুগতিকভাবে কাটাতে চায় না তরুণ-তরুণীরা।
বৃহস্পতিবার ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম দিন। বইমেলার দ্বার খুলেছে আজ বেলা ১২টায়। বাসন্তী রঙের শাড়ি, কপালে লাল টিপ, খোঁপায় হলুদ গাঁদা ফুল আর হাতভর্তি রঙিন কাচের চুড়িসহ সুসজ্জিত তরুণীদের পদচারণায় মুখরিত এখন বইমেলা। এক হাতে গাঁদা ফুলের গুচ্ছ, অন্য হাতে সদ্য কেনা বই। গালে-কপালে বাহারি আলপনা। ছেলেরাও কম যান না! ছোপ ছোপ হলুদরঙা মনকাড়া পাঞ্জাবি ও ফতুয়া পরে নতুন সাজে সেজেছে তরুণরাও।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যান আর বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ কপোত-কপোতীদের আড্ডায় এখন মুখরিত। বেলা গড়াতেই মেলায় বাড়ছে ভিড়। পাশাপাশি নানা বয়সী মানুষের প্রাণময়, উচ্ছল উপস্থিতি। বসন্তের উচ্ছ্বাস নিয়ে সন্ধ্যার আগেই নগরীর সব পথ মিশে যাবে বইমেলায়।
বেলা পৌনে ৩টায় দেখা যায়, বিভিন্ন স্টলে স্টলে গিয়ে নতুন বইয়ের খোঁজ, ঝালমুড়ি আর খাবারের দোকানে ভিড় করছেন মেলায় আগতরা। প্রতিবছরই এ দিনটিতে মেলা প্রাঙ্গণে তিল ধারণের ঠাঁই থাকে না, তাই মেলা কমিটি এদিন নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করে।
প্রকাশকরাও অপেক্ষায় থাকেন এ দিনটার। বিশেষ দিন মানেই বিক্রি বাট্টা ভালো।
রোদেলা প্রকাশনীর প্রকাশক রিয়াজ খান বাংলানিউজকে বলেন, বইমেলায় কয়েকটি দিনের অপেক্ষায় থাকেন প্রকাশকরা। যেমন সাপ্তাহিক ছুটির দিন, ১ ফাল্গুন, ভ্যালেন্টাইনস্ ডে এবং ২১ ফেব্রুয়ারি।
কয়েকজন প্রকাশকরা জানিয়েছেন, বিকেল যত গড়াচ্ছে বিক্রিও তত বাড়ছে।
** চলছে বসন্ত উৎসবের দ্বিতীয় পর্ব
বাংলাদেশ সময়: ১৫৩৩ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৪