ঢাকা, বুধবার, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ২৯ মে ২০২৪, ২০ জিলকদ ১৪৪৫

শিল্প

গ্যাস সঞ্চালন চার্জ দশমিক ৩২৬৭ টাকা করার প্রস্তাব

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২১৫১ ঘণ্টা, আগস্ট ৭, ২০১৬
গ্যাস সঞ্চালন চার্জ দশমিক ৩২৬৭ টাকা করার প্রস্তাব

ঢাকা: প্রতি ঘনমিটার গ্যাস সঞ্চালন চার্জ দশমিক ২৯৫৬ টাকা বৃদ্ধির সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি। তবে গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড (জিটিসিএল) এ চার্জ প্রতি ঘনমিটারে দশমিক ৩২৬৭ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছিল।

 

রোববার (০৭ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর টিসিবি ভবনে অডিটোরিয়ামে জিটিসিএলের গ্যাসের দাম বৃদ্ধি সংক্রান্ত আবেদনের বিষয়ে গণশুনানির পর সঞ্চালন চার্জ পুননির্ধারণের সুপারিশ তুলে ধরে কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কমিটির আহ্বায়ক, পরিচালক (গ্যাস) ও পরিচালক (অর্থ ও হিসাব এবং পেট্রোলিয়াম একেএম মনোয়ার হোসেন আখন্দ, সহকারী নাজিয়া হক, কামরুজ্জামান, নিশিত কুমার এবং শরিফুল ইসলাম শাহীন।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আয়োজিত শুনানিতে কমিশনের চেয়ারম্যান এ আর খান, সদস্য মাকসুদুল হক ও রহমান মুরশেদ। আর প্রস্তাবকারী পক্ষে ছিল জিটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক  মাহবুব সারওয়ার, পরিচালক (অর্থ) শরিফুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।  

কারিগরি কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়, রাজস্ব চাহিদা অনুযায়ী ২০১৬-১৭ অর্থবছরে জিটিসিএল’র প্রতি ঘনমিটার গ্যাস ট্রান্সমিশন চার্জ ০.১৫৬৫ টাকা হতে ০.২৯৫৬ টাকায় (৮৮.৮৮ শতাংশ বৃদ্ধি) পুননির্ধারণ করা প্রয়োজন।

তার ব্যাখ্যায় বলা হয়, জিটিসিএলকে কস্ট-প্লাস ভিত্তিতে পরিচালনার জন্য ২০১৬-১৭ অর্থবছরে টিইসি কর্তৃক নিরুপিত চলতি পরিচালন রাজস্ব চাহিদার পরিমাণ ৭৪৩৪.৪৬ মিলিয়ন টাকা।  

সুপারিশকৃত রাজস্ব চাহিদা মোতাবেক জিটিসিএল’র গ্যাস ট্রান্সমিশন সেবার ব্যয় দাঁড়ায় দশমিক ৩২৬৭ টাকা। এর মধ্যে দশমিক ২৯৫৬ টাকা অর্জন করতে হবে গ্যাস ট্রান্সমিশন সেবা হতে এবং অবশিষ্ট দশমকি ০৩১১ টাকা অর্জিত হবে কনডেনসেট ট্রান্সমিশন সেবা, ইন্টারেস্ট ইনকাম এবং অন্যান্য আয় খাত হতে।

নিরুপিত রাজস্ব চাহিদা অনুযায়ী ২০১৬-১৭ অর্থবছরে জিটিসিএল’র প্রতি ঘনমিটার গ্যাস ট্রান্সমিশন চার্জ দশমিক ১৫৬৫ টাকা হতে দশমকি ২৯৫৬ টাকায় (৮৮.৮৮ শতাংশ বৃদ্ধি) পুননির্ধারণ করা প্রয়োজন।

এর আগের প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের সঞ্চালন ট্যারিফ ০.১৫৬৫ থেকে বাড়িয়ে ন্যূনতম ০.৩৬৬৫ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়। অর্থাৎ দশমিক ২১ টাকা বৃদ্ধির প্রস্তাব করে সংস্থাটি।

দিনের সমাপনী পর্যায়ের শুনানির শুরুতেই জিটিসিএলকে জেরা করেন কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) প্রতিনিধি ড. এম সামসুল আলম। এরপর যথাক্রমে কমিউনিস্ট পার্টিও সদস্য রুহীন হোসেন প্রিন্স ও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক খন্দকার সালেহ সূফী প্রমুখ।

বাংলাদেশ সময়: ২১৪৫ ঘণ্টা, আগস্ট ০৭, ২০১৬
 এমএফআই/এসএইচ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।