ঢাকা, মঙ্গলবার, ১১ আশ্বিন ১৪৩০, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৫

জাতীয়

টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডা বাস্তাবায়নে বিপিএসডব্লিউসি প্রতিষ্ঠা

ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৮০১ ঘণ্টা, মে ২৮, ২০২৩
টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডা বাস্তাবায়নে বিপিএসডব্লিউসি প্রতিষ্ঠা

ঢাকা: জাতীয় টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডা বাস্তবায়নে সহায়তা করার লক্ষ‌্যে প্রতিষ্ঠিত হলো বাংলাদেশ প্রাইভেট সেক্টর ওয়ার্কিং কমিটি (বিপিএসডব্লিউসি)।

রোববার (২৮ মে) ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই) সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের (বিইএফ) সভাপতি আরদাশির কবির এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইস যৌথভাবে বাংলাদেশ প্রাইভেট সেক্টর ওয়ার্কিং কমিটি (বিপিএসডব্লিউসি) প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন।

বাংলাদেশে টেকসই উন্নয়নের ২০৩০ এজেন্ডা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য এই কমিটি বাংলাদেশ সরকার, জাতিসংঘের পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থাগুলির সঙ্গে একসাথে কাজ করার জন্য দেশের বেসরকারি খাতকে সহায়তা করবে।

বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কের কার্যালয়ে এই কমিটি প্রতিষ্ঠার জন্য আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। এই স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধিসহ বেসরকারি খাতের এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কান্ট্রি ডিরেক্টর টুওমো পৌটিয়াইনেন, বাংলাদেশে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম, এফবিসিসিআইর সেইফটি কাউন্সিলের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবু নাঈম মো. শহীদুল্লাহ এবং বাণিজ্য ও ট্যারিফ নীতির উপদেষ্টা মনজুর আহমেদ এবং বিইএফ-এর মহাসচিব ফারুক আহমেদ।

জাতিসংঘ এবং বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বাক্ষরিত ২০২২-২০২৬ জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন সহযোগিতা ফ্রেমওয়ার্কের (ইউএনএসডিএসসিএফ) কর্মপরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নকে এই কমিটির কাজের সাথে সম্পৃক্ত করে টেকসই উন্নয়নের জন্য ২০৩০ এজেন্ডাকে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইস।

তিনি বলেন, যখন জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার কথা আসে, তখন বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের এখানে অনেক কিছু করণীয় আছে। যা বেসরকারি খাতের মাধ‌্যমে অন‌্যদের সম্পৃদ্ধ করবার পাশাপাশি তাদের জন‌্যও লাভজনক। এসডিজি এবং ২০৩০ লক্ষ‌্যমাত্রা বাস্তবায়নে বেসরকারি খাতের ভূমিকা অপরিহার্য। বাংলাদেশ তখনই সবাইকে সঙ্গে নিয়ে অর্ন্তভুক্তিমূলক টেকসই উন্নয়ন লক্ষ‌্য অর্জনে সক্ষম হবে যখন বেসরকারি খাত এই লক্ষ‌্যে তার ভূমিকা পালন করবে। তাই বাংলাদেশ প্রাইভেট সেক্টর ওয়ার্কিং কমিটি গঠনকে আমি স্বাগত জানাই।

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে বেসরকারি কোম্পানিগুলিকে সহায়তা করার জন্য বিপিএসডব্লিউসির কর্মপরিকল্পনার বিষয়ে এফবিসিসিআই সভাপতি এবং বিপিএসডব্লিউসির চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন, বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের (বিইএফ) সভাপতি এবং বিপিএসডব্লিউসির কো-চেয়ারম্যান আরদাশির কবির তাদের বক্তব‌্য তুলে ধরেন।

বাংলাদেশে আইএলওর কান্ট্রি ডিরেক্টর টুওমো পৌটিয়াইনেন এবং বাংলাদেশে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার এই কমিটি গঠনকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, জাতিসংঘের সংস্থাগুলো দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য তাদের ম‌্যান্ডেট অনুযায়ী বিপিএসডব্লিউসির সাথে একত্রে কাজ করার অপেক্ষায় রয়েছে, যা বাংলাদেশকে মধ‌্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার পথকে মসৃণ করবে।

বাংলাদেশ সময়: ১৮০১ ঘণ্টা, মে ২৮, ২০২৩
টিআর/এমজেএফ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa