জাতীয় সংসদ ভবন থেকে: রাষ্ট্র বা জনস্বার্থ পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে সংগঠন বিলুপ্তিসহ ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলীয় স্বার্থে যুব সংগঠন বা তার অর্থ বা অন্য কোন সম্পদ ব্যবহার করলে বা নিবন্ধন সনদ ব্যতীত কোনো যুব কার্যক্রম পরিচালনা করলে ৬ মাস কারাদণ্ড বা ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রেখে জাতীয় সংসদে ‘যুব সংগঠন (নিবন্ধন এবং পরিচালনা) আইন ২০১৫’ বিল উত্থাপিত হয়েছ।
মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) বিকেলে জাতীয় সংসদে বিলটি উত্থাপন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার।
উত্থাপিত বিলে বলা হয়েছে, মিথ্যা তথ্যের ওপর কোনো যুব সংগঠন প্রতিষ্ঠিত বা তালিকাভুক্ত হলে বা রাষ্ট্র বা জনস্বার্থ পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে প্রস্তাবিত আইনে সংগঠন বিলুপ্ত করাসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান রাখা হয়েছে।
বিলে জাতীয় পর্যায়ে যুব সংগঠসমূহের কার্যক্রম সমন্বয় করতে সরকার জাতীয় যুব কাউন্সিল গঠন করার বিধান যুক্ত করেছে। এর কাঠামো ও কার্যপদ্ধতি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হবে। এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণার্থে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা বিধি প্রণয়ন করতে পারবে।
তবে লিখিত অভিযোগ ছাড়া এই আইনের অধীনে সংঘটিত কোনো অপরাধ কোনো আদালত, নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ বিচারার্থে গ্রহণ করত পারবে না মর্মে বিধান রাখা হয়েছে।
এছাড়া আইনে কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর, ১৮৯৮-এ যা কিছু থাকুক না কেন এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ প্রথম শ্রেণির জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচার্য হবে।
আইনের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আওতায় সারাদেশে ১৪ হাজারেরও বেশি তালিকাভুক্ত বেসরকারি যুব সংগঠন রয়েছে। এ সমস্ত যুব সংগঠনের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাসহ পৃষ্ঠপোষতা দান ও সমন্বয়ের মাধ্যমে অধিকতর কার্যকর করার উদ্দেশ্যে যুব সংগঠন (নিবন্ধন এবং পরিচালনা) আইন ২০১৫ প্রণয়নের প্রয়োজন অনুভূত হয়।
উত্থাপনের পর বিলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটিতে প্রেরণ করা হয়।
বাংলাদেশ সময়: ২০৩৫ ঘণ্টা, মার্চ ০৩, ২০১৫