যাত্রীবাহী বাস, জরুরি পণ্যবাহী ট্রাক ও ব্যক্তিগত ছোট গাড়ি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নৌরুট পারাপারের সুযোগ পাওয়ায় দীর্ঘ ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ পণ্যবাহী ট্রাক চালক ও শ্রমিকেরা। যে কারণে নৌরুটের উভয় ফেরিঘাট এলাকায় চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন এসব সাধারণ পণ্যবাহী ট্রাক চালক ও তাদের সহযোগীরা।
শনিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত উভয় নৌরুট এলাকায় অপেক্ষায় রয়েছে পাঁচ শতাধিক সাধারণ পণ্যবাহী ট্রাক ও শতাধিক যাত্রীবাহী বাস। পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটের দায়িত্বরত ব্যক্তিরা বাংলানিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
রাজাবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাট শাখা বাণিজ্য বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক আবদুল্লাহ বাংলানিউজকে জানান, পদ্মায় পানি কমে যাওয়ায় দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকার চ্যানেলে নাব্যতা সংকট দেখা দেওয়ায় ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ফেরি চলাচলের চ্যানেল স্বাভাবিক রাখতে ড্রেজিং শুরু হয়েছে।
তবে মাওয়া ঘাট বন্ধ থাকায় অতিরিক্ত গাড়ির চাপ রয়েছে। যে কারণে নৌরুট পারাপার হতে আসা যানবাহনগুলোকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। নৌরুটে ছোট বড় মিলে ১৬টি ফেরি চলাচল করছে। সবশেষ দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় তিন শতাধিক যানবাহন নৌরুট পারের অপেক্ষায় রয়েছে। যার আড়াইশ-ই সাধারণ পণ্যবাহী ট্রাক।
মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাট শাখা বাণিজ্য বিভাগের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার জিল্লুর রহমান জানান, একদিকে নাব্যতা সংকট। অপরদিকে স্বাভাবিকের চেয়ে বাড়তি রয়েছে যানবাহনের চাপ। এতে করে যানবাহন পারাপারে কিছুটা ভোগান্তি হচ্ছে। সবশেষ পাটুরিয়া ফেরিঘাটে আড়াই শতাধিক সাধারণ পণ্যবাহী ট্রাক ও ৫০টির মতো যাত্রীবাহী বাস নৌরুট পারের অপেক্ষায় রয়েছে বলেও জানান তিনি।
বাংলাদেশ সময়: ১২০৫ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৮
কেএসএইচ/জেডএস