সম্প্রতি সরকারিভাবে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের দেওয়া তথ্যমতে পাবনাতে বিদেশ থেকে দেশে আসা প্রবাসীর সংখ্যা ২ হাজার ৮৮৫ জন। এর মধ্যে বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন ৩৯৯ জন।
এর মধ্যে পাবনা ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কর্মরত বিদেশিসহ বিদেশ থেকে আসা মোট ২৭৬ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। এদিকে করোনা আতঙ্কে সাধারণ ক্রেতারা বাজারের ভোগ্যপণ্য কেনার জন্য ভিড় করছেন। আর এ সুযোগে অসাধু ব্যবসায়ীরাও দাম বেশি নিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
পাবনার সিভিল সার্জন ডা. মো. ইকবাল জানান, জেলা বিভিন্ন উপজেলার মধ্যে থেকে ২৪ ঘণ্টায় সদর উপজেলায় ২২, আটঘরিয়ায় ৭, বেড়ায় ৭, চাটমোহরে ৪, ভাঙ্গুড়ায় ২, ফরিদপুরে ৭ এবং সুজানগরে ৮ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে নেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানান, প্রতিদিন হোম কোয়ারেন্টিনে নেওয়া মানুষের সংখ্যা বাড়ছে।
এদিকে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য পাবনা জেলা প্রশাসক দুপুরে মাইকিং করে জেলায় সমস্ত সভা, সেমিনার, মিটিং, আলোচনা সভাসহ সব রকমের আচার অনুষ্ঠান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন।
করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ প্রতিটি অঞ্চলে জনপ্রতিনিধি, পুলিশ প্রশাসন ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা প্রবাসীদের ওপর নজর রাখছেন। আইন অমান্যকারীকে কঠোরভাবে সাজা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।
এদিকে করোনা ভাইরাসের সুযোগ নিয়ে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীরা ভোগ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি করে বাড়তি মুনাফা নেওয়ার চেষ্টা করছে। অসহায় সাধারণ মানুষকে বাড়তি দাম দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামাল ক্রয় করতে দেখা যায়। তবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজার মনিটরিং করলেও বাজার থেকে চলে আসার পরে আবারো দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে বিক্রেতারা। তবে এই অবস্থায় বাজার মনিটরিং ব্যবস্থাকে জোড়দার করা জরুরি বলে মনে করছেন সাধারণ ভোক্তারা।
বাংলাদেশ সময়: ২১৪৮ ঘণ্টা, মার্চ ২০, ২০২০
আরএ