তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও উত্তরাঞ্চলের অনেক জেলাতে কাজু বাদাম, কফি প্রভৃতি চাষ সম্ভব। আন্তর্জাতিক বাজারে এগুলোর চাহিদা অনেক বেশি, দামও বেশি।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সরকারি বাসভবন থেকে উপজেলা পর্যায়ে কৃষি কার্যক্রম জোরদার করার লক্ষ্যে উপজেলা কৃষি অফিসারদের অনুকূলে গাড়ি বিতরণকালে তিনি একথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, চাষাবাদের জমি বাড়ানোর সুযোগ খুব একটা নেই, বরং জমি দিন দিন কমে যাচ্ছে। সেজন্য একই জমিতে বারবার ফসল উৎপাদন করতে হবে, ফসলের নিবিড়তা বাড়াতে হবে এবং ফসলে বৈচিত্র্য আনতে হবে। এজন্য প্রচলিত ফসলের সঙ্গে কাজু বাদাম, কফি, ড্রাগন ফলসহ বিভিন্ন অপ্রচলিত ফসলের চাষাবাদ, উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাত বাড়াতে হবে। এক্ষেত্রে কৃষকদের সর্বাত্মক সহযোগিতা দেওয়া হবে।
‘প্রধানমন্ত্রী কৃষিকে বাণিজ্যিকীকরণ ও যান্ত্রিকীকরণ অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছেন। কৃষিতে এ সরকারের এখন মূল লক্ষ্য হলো খোরপোষের কৃষিকে বাণিজ্যিকীকরণ ও লাভজনক করা। ’
কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘উপজেলা পর্যায়ে প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে কৃষক প্রশিক্ষণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্পের’ মাধ্যমে বর্তমান অর্থ বছরে প্রকল্পভূক্ত ৫১টি উপজেলায় ৫১টি ডাবল কেবিন পিক-আপ সরবরাহ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নাসিরুজ্জামান। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবদুল মুঈদের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রসারণ) মো. হাসানুজ্জামান কল্লোল, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিচালক মো. শাহ আলম, প্রকল্প পরিচালক তাজুল ইসলাম পাটোয়ারি প্রমুখ।
এসময় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংস্থাপ্রধানসহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ সময়: ২০৪৫ ঘণ্টা, জুন ২৫, ২০২০
জিসিজি/এএ