ঢাকা, মঙ্গলবার, ৯ বৈশাখ ১৪৩১, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১৩ শাওয়াল ১৪৪৫

শিক্ষা

১০০ স্টল নিয়ে ঢাবিতে হয়ে গেল উদ্ভাবন মেলা

ইউনিভার্সিটি করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৭৫৪ ঘণ্টা, মার্চ ৪, ২০২৪
১০০ স্টল নিয়ে ঢাবিতে হয়ে গেল উদ্ভাবন মেলা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: বিভিন্ন উদ্ভাবনী পণ্য ও সেবামূলক আবিষ্কারের ধারণা নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্ভাবন মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  

সোমবার (৪ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলার বারান্দায় দিনব্যাপী এ মেলা চলে।

 

এতে মোট ১০০টি উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন ও পণ্য প্রদর্শন করা হয়। এর মধ্যে ৪০টি উদ্ভাবনী পণ্য এবং ৬১টি সেবামূলক আবিষ্কারের ধারণা প্রদর্শিত হয়।

মেলায় স্মার্ট প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পাটজাত পণ্য উৎপাদন, বিভিন্ন রোগ নির্ণয়ের সহজ পদ্ধতি, পরিবেশ ও পানি দূষণ প্রতিরোধে টেকসই পদ্ধতি, এনজাইম ব্যবহারের মাধ্যমে চামড়ার গুণগত মান বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে ফল ও শাকসবজি সংরক্ষণের পদ্ধতির আইডিয়া প্রদর্শন করা হয়।

এ ছাড়া, রাসায়নিক পদার্থমুক্ত চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ পদ্ধতি, অটোমেশন অব টেবুলেশন সিস্টেম, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ বিষয়ক মোবাইল অ্যাপ তৈরি, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন সংক্রান্ত সমস্যা নির্মূলকরণ ও বাস ট্র্যাকিং সিস্টেম, স্টুডেন্ট মনিটরিংসহ বিভিন্ন উদ্ভাবনী ধারণা ও পণ্য প্রদর্শন করা হয়।

সকালে সিনেট ভবনে উদ্ভাবন মেলা-২০২৪ শীর্ষক একটি অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। এতে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল। উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষামন্ত্রী ড. মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল উপস্থিত হওয়ার কথা থাকলেও তিনি উপস্থিত হননি।  

ফান্ডিং ইনোভেশন: হাউ, হোয়াট অ্যান্ড হোয়াই অব সাকসেসফুল কেসেস- শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডাটাসফট সিস্টেমস বাংলাদেশের সভাপতি এম. মানজুর মাহমুদ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইনোভেশন দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. ইসতিয়াক এম সৈয়দ স্বাগত বক্তব্য দেন।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবিষ্কার ও উদ্ভাবনসমূহ জনকল্যাণে ব্যবহার করার লক্ষ্যে ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিয়া সম্পর্ক জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমাদের গবেষকদের উদ্ভাবনী পণ্যসমূহ বাজারজাত করতে দেশের বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে শিগগিরই আলোচনা করা হবে।  

তিনি বলেন, বর্তমান নলেজ ইকোনমির যুগে টিকে থাকতে হলে অবশ্যই আমাদের নতুন ধারণা উপস্থাপন ও পণ্য উদ্ভাবন করতে হবে। তাহলেই আন্তর্জাতিক শিক্ষা মানচিত্রে আমরা টিকে থাকতে পারব। গবেষকদের উদ্ভাবনী পণ্য ও সেবার বিকাশ ঘটাতে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিগগিরই স্টার্ট আপ স্টুডিও প্রতিষ্ঠা করা হবে।  

তিনি আরও বলেন, ক্রাউড ফাইন্যান্সিং সিস্টেম প্রবর্তনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে তহবিল সংগ্রহ করে স্টার্ট আপ চালু করা হবে। মানসম্মত গবেষণা ও উদ্ভাবনের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলার ওপর তিনি জোর দেন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্ভাবন-ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে তিনি সাবেক শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৭৫১ ঘণ্টা, মার্চ ৪, ২০২৪
আরএইচ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।